বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে সাধারণ ভুল
অনেক পুরুষই বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণ করতে চান। কিন্তু অনেকেই কিছু ভুল করে থাকেন। আজ আমরা সেই ভুলগুলো নিয়ে আলোচনা করব।
ভুল ১: উত্তেজনা স্কেলকে ভুলে যাওয়া
কল্পনা করুন, আপনি গাড়ি চালাচ্ছেন। গাড়ির স্পিডোমিটার দেখে আপনি বুঝতে পারেন গাড়ি কত তাড়াতাড়ি চলছে। ঠিক একইভাবে, আপনার শরীরেরও একটি 'স্পিডোমিটার' আছে, যা আপনাকে বলে দেয় আপনি কতটা উত্তেজিত। এই স্পিডোমিটারকেই আমরা 'উত্তেজনা স্কেল' বলি।
➡️ কেন উত্তেজনা স্কেল গুরুত্বপূর্ণ?
বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে বড় কৌশল হলো ঠিক সময় থামা। কিন্তু ঠিক কখন থামতে হবে, সেটা বুঝতে হলে আপনাকে নিজের উত্তেজনা স্তর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
☞ উদাহরণ: ধরুন, আপনি ১ থেকে ১০ পর্যন্ত একটি স্কেল ব্যবহার করছেন।
01.আপনি একদম শান্ত।
10.আপনি সর্বোচ্চ উত্তেজিত।
যখন আপনার উত্তেজনা ৭ বা ৮ এ পৌঁছায়, তখন বুঝতে হবে যে আপনি খুব তাড়াতাড়ি উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছেন। এই সময়ই আপনাকে কিছু কৌশল অবলম্বন করে উত্তেজনা কমাতে হবে। যেমন,
➛কয়েকবার গভীর শ্বাস নেওয়া
➛অন্য কিছুর উপর মনোযোগ সরিয়ে নেওয়া
➛শারীরিকভাবে নিজেকে শীতল করা
এভাবে উত্তেজনা স্কেল ব্যবহার করে আপনি ধীরে ধীরে বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে দক্ষ হয়ে উঠতে পারবেন।
মনে রাখবেন: প্রত্যেক মানুষের শরীর আলাদা। কেউ অল্প সময়ের মধ্যেই উচ্চ উত্তেজনা স্তরে ৭ বা ৮ এ পৌঁছাতে পারে আবার কারো একই স্তরে পৌঁছাতে অধিক সময় লাগতে পারে। তাই আপনার জন্য কতটা উত্তেজনা বেশি, সেটা নিজেই বুঝতে হবে।
ভুল ২: শরীরের সংকেতগুলো উপেক্ষা করা
আপনার শরীর আপনাকে সবসময়ই সংকেত দেয়। যখন আপনি উত্তেজিত হতে শুরু করেন, তখন আপনার শরীরে কিছু পরিবর্তন হয়। যেমন, শ্বাস বেড়ে যাওয়া, হৃৎস্পন্দন বাড়া, পেশীতে টান অনুভব করা ইত্যাদি। এই সংকেতগুলোকে বুঝতে শিখুন। এগুলো আপনাকে বলে দেবে যে আপনি কতটা কাছাকাছি।
ভুল ৩: সঙ্গীর উপর নির্ভর করা
বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণ শেখার জন্য আপনার অবশ্যই কোনো সঙ্গীর প্রয়োজন নেই। আপনি একা থেকেও অনুশীলন করতে পারেন। শুরু করার জন্য কারো জন্য অপেক্ষা করবেন না।
এই তিনটি ভুল এড়িয়ে চললে আপনি বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে অনেক সহজেই সাফল্য পাবেন। মনে রাখবেন, ধৈর্য এবং নিয়মিত অনুশীলনই সফলতার চাবিকাঠি।
ভুল ৪: মূল বিষয়গুলি ভালোভাবে না শিখে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া
কোনো প্রোগ্রামে সফল হতে হলে প্রথমে বেসিকগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি অনুশীলন আলাদা আলাদাভাবে শিখুন এবং পুরোপুরি শিখে নেওয়ার পরেই সেগুলো একত্রিত করুন। ধাপে ধাপে এগিয়ে চলুন; কোনো ধাপ এড়িয়ে গেলে পরবর্তী ধাপে সফল হওয়া কঠিন হবে। ধৈর্য ধরে অনুশীলন করুন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি নতুন কোনো খাবার রান্না করতে শিখছেন, তাহলে প্রথমে উপকরণগুলোকে ভালোভাবে চিনে নিন, এরপর ধাপে ধাপে রান্না করুন।
ভুল ৫: অনুশীলনের ন্যূনতম সময় সম্পূর্ণ না করা
প্রোগ্রামে দেওয়া সময় ন্যূনতম সময় হিসেবে ধরা হয়। আপনি চাইলে বেশি সময় ধরে অনুশীলন করতে পারেন, কিন্তু কম সময় দিয়ে অনুশীলন করবেন না। উদাহরণস্বরূপ, যদি কাউকে বলা হয় যে দিনে অন্তত ১০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে, তাহলে ৫ মিনিট করলেই চলবে না।
ভুল ৬: অতিরিক্ত অনুশীলন করা
অনুশীলন অবশ্যই করতে হবে, কিন্তু তা পরিমিত মাত্রায় হওয়া উচিত। প্রতিদিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী অনুশীলন করুন এবং শরীরকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিন। বেশি অনুশীলন করলে শরীর ক্লান্ত হয়ে যেতে পারে, যা উন্নতির বদলে পিছিয়ে দিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটেন, তাহলে ১ ঘণ্টা হাঁটলে হয়তো ক্লান্ত হয়ে যাবেন এবং পরের দিন হাঁটার ইচ্ছা থাকবে না।
Lesson টি অসম্পূর্ণ রেখে শেষ করতে চান?