আমাদের লক্ষ্য হলো বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণ:
যৌন সম্পর্কের সময় কখন বীর্যপাত করতে হবে, সেটা নিজে সিদ্ধান্ত নেওয়া। এটা যেমন একটি দক্ষতা, তেমনি একটি শিল্পও বলা যেতে পারে।
আপনার মনই এখানে প্রধান ভূমিকা পালন করে: মনকে যদি শান্ত রাখতে পারেন, তাহলে বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়ে যাবে। মনে করুন, মন একটা কমান্ড সেন্টারের মতো। আপনি যা চান, সেই নির্দেশ মনকে দিতে পারবেন।
শরীরও সাহায্য করে: শরীরে কিছু প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া কাজ করে, যা বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কিন্তু শুধু শারীরিক প্রক্রিয়া দিয়েই হবে না, মনকেও শান্ত রাখতে হবে।
সহজ কথায় বলতে গেলে: বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণের জন্য শরীর এবং মন, দুটোকেই একসাথে কাজ করতে হবে।
উদাহরণ: মনে করুন আপনি গাড়ি চালাচ্ছেন। গাড়ি চালানোর জন্য আপনার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের সঙ্গে মনকেও একসঙ্গে কাজ করতে হয়। ঠিক একইভাবে, বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণের জন্য শরীর এবং মনকে একসঙ্গে কাজ করতে হয়।
মনে রাখবেন: বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণ একটি ধীরে ধীরে শেখার প্রক্রিয়া। ধৈর্য ধরে চেষ্টা করুন এবং নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন।
অনেক জনপ্রিয় পদ্ধতি আছে যা ছেলেদের প্রায়ই দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার সমাধানে ব্যবহার করেন। আসলে, বেশিরভাগ প্রচলিত পদ্ধতি অল্প সময়ের জন্য কার্যকর হতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এগুলো দীর্ঘমেয়াদী সমাধান দেয় না এবং কখনো কখনো পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তোলে। কিন্তু আমরা আপনাকে মূল সমস্যার সমাধানের জন্য কার্যকরী উপায় গুলো শেখাবো।
❌ যা করবেন না: ➛ মদ এবং মাদক গ্রহন ➛ ক্রিম এবং স্প্রে ব্যবহার ➛ বিরক্তিকর বা ঘৃণাজনক চিন্তাভাবনা করা
➡️ কিছু সহজ সমাধান: 1. যৌন ক্রিয়ার পজিশনের পরিবর্তন করুন। 2. অণ্ডকোষ টানার কৌশল: যে সময় বীর্যপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তার কিছুক্ষণ আগে অণ্ডকোষ ধরে নিচে টানলে বীর্যপাত দেড়িতে হয়। 3. স্কুইজ পদ্ধতি লিঙ্গের মাথা চেপে ধরুন যতক্ষণ না বীর্যপাতের হওয়ার ভাব কমে যায়। এটি আপনাকে দ্রুত বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে। 4. যৌনমিলনের আগে হস্তমৈথুন: যৌনমিলনের এক ঘণ্টা আগে হস্তমৈথুন করতে পারেন যা স্ত্রীর সাথে যৌন মিলনের সময় আপনার দ্রুত বীর্যপাত প্রতিরোধ করতে পারে। 5. মোটা কন্ডম ব্যবহার করুন।
Lesson টি অসম্পূর্ণ রেখে শেষ করতে চান?